প্রেস বিজ্ঞপ্তি ০৯-০১-২০১৭

জাপানিজ এনকেফেলাইটিস একটি মশাবাহিত রোগ। এই রোগের লক্ষণ হল তীব্র জ্বর, মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, বমি বমি ভাব, প্রলাপ বলা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, শরীরের কোন অঙ্গ অসাড় হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। ত্রিপুরা রাজ্যের সমস্ত জেলায় এর প্রাদুর্ভাব রয়েছে। এই রোগের নিরাময়ের জন্য কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা ব্যবস্হা নেই। কিন্তু এই জাপানিজ এনকেফেলাইটিস রোগের জন্য খুব কার্যকরী পদক্ষেপ হল শিশুদের টীকাকরণ।

ত্রিপুরা রাজ্যের ৩টি জেলা – খোয়াই, সিপাহীজলা এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় এই টীকা সার্বিক টীকাকরণ প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। ভারত সরকার আরো চারটি জেলায় – উনকোটি, গোমতী, ধলাই এবং দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলাকে এই টিকাকরণ প্রকল্পের অধীনে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে  ৯ থেকে ২২ জানুয়ারী ১ থেকে ১৫ বৎসর বয়সের সমস্ত শিশুকে শিবিরের মাধ্যমে বিদ্যালয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্বাস্হ্যকেন্দ্র এবং উপস্বাস্হ্য কেন্দ্রে এক ডোজ জাপানিজ এনকেফেলাইটিসের টীকা দেওয়া হবে। তারপর এই জেলাগুলিতে ৯ থেকে ১২ মাস বয়সের সমস্ত শিশুকে প্রথম ডোজ এবং ১৮ থেকে ২৪ মাস  বয়সের সমস্ত শিশুকে দ্বিতীয় ডোজ জাপানিজ এনকেফেলাইটিসের টীকা সার্বিক টীকাকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া হবে। তাই স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে উনকোটি, গোমতী, ধলাই এবং দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার অভিবাবকদের আবেদন করা হচ্ছে বিদ্যালয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্বাস্হ্যকেন্দ্র ও উপস্বাস্হ্য কেন্দ্রে আয়োজিত শিবিরে এই টীকাকরণের সুযোগ গ্রহণ করার জন্য। পাশাপাশি উনকোটি, গোমতী, ধলাই, দক্ষিণ ত্রিপুরা, খোয়াই, সিপাহীজলা এবং পশ্চিম ত্রিপুরা এই ৭টি জেলার সমস্ত অভিবাবকদের অনুরোধ করা হচ্ছে যে, শিশুদের মধ্যে জাপানিজ এনকেফেলাইটিসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জন্মানোর লক্ষ্যে, শিশুদের জাপানিজ এনকেফেলাইটিসের টীকাকরণ শিবিরের পরেও যাতে সার্বিক টীকাকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে জাপানিজ এনকেফেলাইটিসের টীকা দেওয়া হয়।