প্রেস রিলিজ- ১৬-১২-২০১৬

অন্ত্রে কৃমির সংক্রমণ, লোহার অভাবজনিত কারণ এবং অনুন্নত স্বাস্হ্যবিধির ফলে অপুষ্টি, রক্তাল্পতা, ক্ষুধা না পাওয়া, বমির ভাব, বমি ও পেট খারাপসহ বিভিন্ন ধরণের স্বাস্হ্য বিষয়ক সমস্যা হয়। এ বিষয়গুলো প্রতিরোধের জন্য সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও মূলত শিক্ষা দপ্তর, সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তর, পানীয় জল ও স্বাস্হ্যবিধান দপ্তরসহ অন্যান্য দপ্তরের সহযোগিতায় স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর জাতীয় কৃমিনাশক দিবস-ফেব্রুয়ারী ২০১৭ রাউন্ড আগামী ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ বাস্তবায়িত করবে। বিদ্যালয় ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নথিভূক্ত ও বাইরে থাকা ১-১৯ বছর বয়সী সমস্ত ছেলে-মেয়েদের এই কর্মসূচির আওতায় কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো হবে। হাত ধোয়ার অভ্যাস ও সাপ্তাহিক নখ কাটার বিষয় এবং সাপ্তাহিক আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট খাওয়ানো সুনিশ্চিত করা হবে। যারা ১০ ফেব্রুয়ারী কৃমির ওষুধ খেতে পারবে না তাদের আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ মপ-আপ ডে-তে এই ওষুধ খাওয়ানো হবে। রাজ্যে ১১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯৬৭ জন ছেলে-মেয়েদের এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

১-১৯ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের বাবা-মা ও অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীদের ভূমিকা নির্ধারণ করার লক্ষ্যে জাতীয় কৃমিনাশক দিবসে গৃহীত কর্মসূচিকে সফলভাবে বাস্তবায়িত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করার লক্ষ্যে বিস্তৃত আলোচনা হয়। ত্রিস্তর পঞ্চায়েতে নির্বাচিত সদস্যদের জেলা ও ব্লকস্তরে কোঅর্ডিনেশন কমিটির মিটিংয়ে উপস্হিতির বিষয় সুনিশ্চিত করতে রাজ্যস্তরে উদ্যোগ গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া আশা ভরসা দিবস এবং ভিলেজ হেলথ অ্যান্ড সেনিটেশন কমিটির সভায় আশাকর্মীদের সচেতন করা, বিভিন্ন স্তরে ওরিয়েন্টশন ট্রেনিং সংঘটিত করাসহ বিভিন্ন ধরনের কার্যকরি উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

গত ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬ প্রজ্ঞা ভবনের ৪নং সভাকক্ষে রাজ্যভিত্তিক কোঅর্ডিনেশন কমিটির আলোচনা সভায় এই কর্মসূচিকে সফল করতে এই সিদ্ধান্তগুলোর পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত অংশের জনগণ বিশেষ করে ১-১৯ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের বাবা-মা ও অভিভাবকগণ যাতে তাঁদের সন্তানের সুস্বাস্হ্যের কথা বিবেচনা করে এই কর্মসূচিকে সর্বাত্মক সফল করতে এগিয়ে আসেন এবং কৃমিনাশক ওষুধ, সাপ্তাহিক আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট খাওয়ানো, হাত ধোয়ার অভ্যাস ও সাপ্তাহিক নখ কাটার ক্ষেত্রে ভূমিকা গ্রহণ করেন সে বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।