প্রেস রিলিজ (রুরাল পোষ্টিং ইনসেনটিভ)

দুর্গম ও অতিদুর্গম এলাকায় অবস্হিত ৩৮ টি স্বাস্হ্য প্রতিষ্ঠানে মেডিক্যাল অফিসার থেকে রাঁধুনি, সুইপার ও ক্লিনিক এসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত সর্বস্তরের কর্মচারীদের জন্য স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর, ত্রিপুরা সরকার বর্তমান অর্থবছরে (২০১৬-১৭) গ্রামীণ এলাকায় কর্মরত থাকার জন্য অনুদান (রুরাল পোষ্টিং ইনসেনটিভ) চালু করেছে।

দুর্গম এলাকায় অবস্হিত মোট ১৭টি স্বাস্হ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে পশ্চিম জেলার বোরাখা, মান্দাই, চাঁচুবাজার প্রাথমিক স্বাস্হ্যকেন্দ্র, খোয়াই জেলায় আমপুরা, বেহালাবাড়ি, দশরথ দেব মেমোরিয়াল, মুঙ্গিয়াকামী প্রাথমিক স্বাস্হ্যকেন্দ্র, গোমতি জেলায় অম্পি, করবুক, চেলাগাং প্রাথমিক স্বাস্হ্যকেন্দ্র, দক্ষিণ জেলায় চোত্তাখলা প্রাথমিক স্বাস্হ্যকেন্দ্র এবং মনুবনকুল গ্রামীণ স্বাস্হ্যকেন্দ্র, উত্তর জেলায় জম্পুই এবং ধলাই জেলায় জগবন্ধুপাড়া, নেপালটিলা, ধুমাছড়া প্রাথমিক স্বাস্হ্যকেন্দ্র। অতি দুর্গম অঞ্চলে অবস্হিত ২১টি স্বাস্হ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে খোয়াই জেলার তুলাশিখর, সিপাহীজলা জেলার তৈবান্দাল, মাইক্রোসাপাড়া, থেলাকুং, গোমতী জেলায় শিলাছড়ি, তীর্থমুখ, দক্ষিণ জেলায় কোয়াইফাং, বৈষ্ণবপুর, উত্তর জেলায় আনন্দবাজার, দামছড়া, খেদাছড়া, ভান্ডারিমা, সাবুয়াল এবং ধলাই জেলায় ছামনু, রইস্যাবাড়ি, মানিকপুর, গঙ্গানগর, লালছড়া, দলপতি, পূর্ণমোহন স্মৃতি, জামথুম ও মরাছড়া প্রাথমিক স্বাস্হ্যকেন্দ্র। সবমিলিয়ে কর্মচারীদের সান্মানিক ভাতা বাবদ ১২৪.০২ লক্ষ টাকা খরচ হবে। প্রত্যন্ত এলাকায় কর্মরত কর্মচারীদের সান্মানিক ভাতা প্রকল্পে ১৩০.৭০ লক্ষ টাকা অনুমোদন পাওয়া গেছে। যার মধ্যে অতিদুর্গম এলাকার স্বাস্হ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫১.৭৭ লক্ষ টাকা এবং দুর্গম এলাকায় অবস্হিত স্বাস্হ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ৭৮.৯৩ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে।